West Bengal

জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গে , কি সুযোগ পেতেন অন্য রাজ্যের থেকে আলাদা : বিতর্ক দেশ জুড়ে !

বিপক্ষের মত দেশের সব রাজ্যেই কেন্দ্র নিজের হাতের মুঠোয় নিতে চান। তাই গনত্রন্ত ধ্বংসের পথে

আর দিল্লিতে ১৯৫৪ সালে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে ধারাটি ৩৭০-এ ঢোকানো হয় সংবিধানে।৩৭০ ধারা বাতিল করল কেন্দ্রে অবশেষে জম্মু ও কাশ্মীরের ক্ষেত্রে । আর একইসঙ্গে বাতিল হল ৩৭০ ধারার অন্তর্গত ৩৫এ ধারাও।সেখ আবদুল্লা ১৯৪৭ সালে এই ধারার খসড়া তৈরি করেছিলেন ।কিছু অস্থায়ী ব্যবস্থার কথা বলা রয়েছে সংবিধানের ১১ নম্বর অংশে ।১৯৫৪ সালে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে ধারাটি ৩৭০-এ ঢোকানো হয় সংবিধানে। আর সেই ক্ষমতা বলেই তৈরি হয় ৩৭০ ধারা।

বিশেষ মর্যাদা ও স্বায়ত্তশাসনের অধিকার ৩৭০ ধারায় জম্মু ও কাশ্মীরকে দেওয়া হয়েছিল। অন্যান্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে যেসব নিয়ম লাগু হয় তা জম্মু ও কাশ্মীরের ক্ষেত্রে খাটতে নাও পারে।

কেন্দ্র অর্থ, যোগাযোগ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ বিষয় ছাড়া অন্য কোনও বিষয়ে রাজ্যে নাক গলাতে পারতো না ।রাজ্যে আর্থিক জরুরি অবস্থার ব্যবস্থা থাকলেও জম্মু ও কাশ্মীরে তা ছিল না।কেন্দ্র জম্মু ও কাশ্মীরে কোনও আইন প্রণোয়ন করতে পারতো না।

এদিকে ৩৫এ ধারা ৩৭০ ধারার মধ্যেই ছিল ৩৫এ ধারা। এর ফলে বাতিল হয়েছে এই ধারাও। এই আইন অনুযায়ী বাইরের রাজ্যের কোনও লোক জম্মু ও কাশ্মীরে স্থাবর সম্পত্তি কিনতে পারতেন না।সম্পূর্ণ ভাবে রাজ্য সরকারই ঠিক করতো কে স্থায়ী বাসিন্দা আর কে নয়। সেই ঘোষণা করার একমাত্র অধিকার ছিল জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভার। কোনও সম্পত্তি কিনতে গেল রাজ্যে থাকতে হতো অন্তত ১০ বছর।

তবে কোনও মহিলা জম্মু ও কাশ্মীরের বাইরের কাউকে বিয়ে করলে তিনি বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হতেন। ফলে উত্তরাধিকারীরাও সম্পত্তির অধিকার পেতেন না।
আর রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দারাই একমাত্র ভোট দিতে পারতেন, চাকরির পরীক্ষায় বসতে পারতেন।

Tags
Show More

Related Articles

Back to top button
Close