Analysis

বামেরাই বিকল্প , ফিরছে লাল ধরতে হাল : বলছে জনতা !

চেহারা পাল্টাচ্ছে , বক্তব্যের ভাষার পরিবর্তন ঘটেছে। সংখ্যা বাড়ছে মিছিলে , তবু ভোটের বাক্সে খরা অব্যাহত কেন ?

ওপিনিয়ন টাইমস একটি সার্ভে চালিয়েছে মূলত নন্দীগ্রাম , সিঙ্গুর ও জঙ্গল থেকে পাহাড় শিরোনামে থাকা বহুল চর্চার বিষয়ে বিগত ২০০৭ থেকে ২০১৯। ওপিনিয়ন টাইমস এর পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে যে “সংখ্যা বাড়ছে মিছিলে , তবু ভোটের বাক্সে খরা অব্যাহত কেন ?”

পুলিশের চাপে এই গুমরে থাকা কান্না ,তৃণমূলের সন্ত্রাস আর সব মিলিয়ে হতাশায় ক্ষোভ উগলিয়ে দিলেন সিপিআইএমের রয়ে যাওয়া কর্মী সমর্থক থেকে সাধারণ মানুষ।এক কথায় বলছে সাধারণ মানুষ ” রুখে দাঁড়ান ফিরে পাবেন আস্থা, আসবে আবার বামেরা। আলোচনাতে উঠে এলো বামেরা বিজেপিতে কেন ? এই সার্ভেতে যা উঠে এলো তা শুনে অনেকেই চমকে যাবেন, গা-গঞ্জে আজকের চলতি কথা “বামেদের ডান্ডা বিজেপির ঝান্ডা ” বাঁচার তাগিতে।হ্যা আমরা বিজেপিকে সমর্থন করেছি নিজেদের গুছিয়ে নেবার জন্য। আমাদের অনেক ক্ষয় , অনেক লুট হয়েছে , আমরা ঘর ছাড়া প্রায় ২০১১ এর নভেম্বর থেকে ২০১৮ জুলাই পর্যন্ত। ফিরেছি হিসেবে নিতে। আমরা চাই পাল্টা বদলা। আমাদের পাশে দাঁড়ালেই আমারা পূর্ণ সমর্থন করবো বললেন সানু মন্ডল, তপন বাগদি ও প্রতিমা ঘোষ নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে। একই কথা পাহাড় থেকে জঙ্গল মহল সাগর থেকে নদী সবার। (আসল নাম পরিবর্তন করা হল )

ওপিনিয়ন টাইম মূলত সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেছে যারা ভোটার বা সমর্থক। আমাদের প্রশ্ন ছিল “সংখ্যা বাড়ছে মিছিলে , তবু ভোটার বাক্সে খরা অব্যাহত কেন ?”

১) আলিমুদ্দিন সিদ্ধান্ত নিতে পারছেনা , চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেই মানুষের ভরসা বাড়বে। ফিরবে বাম !
২) বড় ভদ্র লোকের দল এই সিপিআইএম , রুখে দাড়াতে পারছে না। তৃণমূলের ঠকবাজেরা প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছে , আর মানুষ সেই ফাঁদে আটকে যাচ্ছে।
৩) দলে নেতার চেয়ে কেরানি বেশি , যোদ্ধা কই ?
৪) দলের লোকের বাইরে যোগাযোগ কই , দু চারজন ছাড়া !
৫) দলের নিচুতলার সঙ্গে নেতাদের সম্পর্ক ভালো নয় , “রাজ্য নেতা চা খান জেলার নেতা মার্ খান “।
৬) দলের নেতারা সেফ গেম খেলছে। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ না করলে কি করে এগোবে।
৭) সূর্য্য বাবু ডাক্তার মানুষ বড় ভালো লোক ওকে কাজকরতে দিচ্ছে কই !
৮) সেলিম-সুজনই ভরসা বাকি গুলো কাজ করে কম ফন্দি আটে বেশি।
৯) গৌতম দেব অসুস্থ ঐ লোকটা থাকলেও কিছু হত। ওর বদলে কে ?
১০) এলাকার নেতারা দলে আছে কিন্তু তলে তলে তৃণমূলে ? এরাই কি আগামী
১১) সিপিআইএমের কর্মীরা ভালো , ধান্দা বাজ নয়। এটা প্রমাণিত সত্য !
১২) এক মাস রুখে দাঁড়াক দেখুন তৃণমূল বিজেপি পালিয়ে যাবে।
১৩) শিলিগুড়ি দেখুন ঠিক আছে। তবু আসে পাশে পিছিয়ে।
১৪) কে এই অর্জুন , তড়িৎ তোপদার না সাহায্য করলে ও বেঁচে থাকে। আজও তড়িৎ তোপদার নামলে এলাকা ফাঁকা হয়ে যায়।
১৫) মমতা কে সাহায্য করেছে দলের এক শ্রেণীর নেতারা । যাদের কে খুব একটা দেখা যায় না।
১৬) সব দলে দালাল থাকে অপরকে খবর দেয় , এখন সেটা অনেক বেশি। নাতো এতো বড় দলের এতো আন্দোলন সব বিফলে গেল !
১৭) পুলিশ বলে সিপিআইএমের সময় সন্মান পেতাম এর এখন ? অর্থাৎ পুলিশের বড় অংশ এখনও সিপিআইএমের দিকে , তবে ভরসা পাচ্ছে না ওরা !
১৮) নতুন ছেলে কই। দুদিন হেটে টিভিতে গিয়ে বসে , আর তো সব টিভিতে নেতা রাস্তায় নয়।
১৯) ২০১১ তে পরিবর্তনের পর ২০১২ থেকেই সুযোগ এসেছে ত্রিফলা দুর্নীতি থেকে শুরু এখন কাটমানি চলছে , মানুষ চেয়েছিল রাস্তা জুড়ে আন্দোলন।
২০) আলিমুদ্দিনের বড় কেরানি গুলোকে রাস্তায় বার করে বলতে হয় এবার আন্দোলন করো , বসে বসে কাল চলে যাচ্ছে।তাই সময়ে গুরুত্ব হারাচ্ছে !
২১) বুদ্ধ বাবু ভালো লোক , অসুস্থ তিনি ভীষণ অভিমানী। ওনাকে অনেকেই বোঝেন নি।
২২) মমতার সাথে সমঝোতা করে বিজেপি কে আটকালে ভালো কিন্তু মমতা রাজ্যের মানুষের পক্ষে ভালো নয়।
২৩) মমতা মুসলিমের ভোট চায় আর ওরা আরএসএসের লোক চায় , একটু দেখুন বুঝতে পারবেন।
২৪) ২০১১ পর থেকে যারা রাস্তার আন্দোলন করলো বুক ঠুকে , তাদের কে সামনের সারিতে আনতেই হবে। নাতো রক্ত ক্ষরণ অব্যাহত থাকবে।
২৫) বামেরা ধরুক ঘিরে , রাস্তা জুড়ে হোক আন্দোলন। দাবি একটাই সাধারণ মানুষ বাঁচুক , ফিরুক শান্তি।

উপরের ২৫ টি উত্তর আমাদের সার্ভেতে উঠে এসেছে , দোকান, বাজার, রাস্তার, মোর থেকে বাড়ির অন্দর মহলে। মূলত এই সার্ভে সংঘঠিত করা হয়েছিল একটি প্রশ্নে ” বামেদের সংখ্যা বাড়ছে মিছিলে , তবু ভোটার বাক্সে খরা অব্যাহত কেন ? ” সাধারণ মানুষ বিরক্ত তৃণমূলে ও বিজেপিতে ভরসা নেই তাই বিকল্প সন্ধানে উঠছে কথা ” ফিরুক লাল ধরতে হাল ” বাস্তবে কি হবে ? এই সার্ভে থেকে বেশ কিছু ইন্ডিকেটর বা সূচক সৃষ্টি হল যে গুলো আগামীর চর্চা , মূলত দুর্নীতি মুক্ত ও স্বচ্ছ প্রশাসন ও নাধিকারের অধিকার প্রশ্নে আগামীর বাংলা কেমন হবে।

Tags
Show More

Related Articles

Back to top button
Close