Big Story

কলকাতায় জুড়ে চলছে অনলাইন সেক্স রেকেট ?

ফোনেই বাছতে পারেন আপনার কিছু সময়ের সঙ্গী কে ,সঙ্গে চলবে দরদাম ! AIDS বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে সম্ভবনা এগোচ্ছে তীব্র গতিতে ! আপনার ফোনে চোখের সামনেই বিজ্ঞাপন , যেকোন এপলিকেশন ডাউনলোড করুন- যেটা ফ্রি সেটা তে আসবে নেট সেক্স এর বিজ্ঞাপন , আপনি না দেখতে চাইলেও ১০ সেকেণ্ড চলবে তারপর বন্ধ হবে।

একটি সমীক্ষায় জানা যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ফেসবুক। শুধু তাই নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যাপ ফেসবুক। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ফেসবুকের মাসিক সক্রিয় সদস্য দুই বিলিয়ন অর্থাৎ ২০০ কোটি।টিনএজরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরও বেশি জড়িয়ে পড়ছে। নাওয়া-খাওয়া, ঘুমের চেয়ে বেশি সময় ব্যয় করা হচ্ছে ফেসবুক। বাসা-বাড়ি, অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ, বাস-ট্রেনসহ রাস্তা পার হতে গিয়েও ফেসবুকের নীল জগতের আসক্তি ছাড়তে পারছে না ফেসবুক।

আসক্তি আস্তে আস্তে আসে , জড়তা কাটতে যতটুকু সময় লাগে। আর সমবয়েসীরা হল সবচেয়ে বড় এজেন্ট এই পথে নিয়ে যাবার , অবশ্য এর পিছনে থাকে বড় মাথা। এটা এখন একটা কর্পোরেট সংস্কৃতির মধ্যে ঢুকে পড়েছে। আই টি তে এই প্রভাব অনেক বেশি , সমীক্ষা তে দেখা যাচ্ছে যে প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়ের এক সাথে রাত্রি বাস, সেটা আবার নিজের সময় অনুযায়ী। তার ফলে ফ্যামিলি বন্ডিং বলে যে বিষয়টি ছিল তা একদম উধাও হয়ে যাচ্ছে , পারিবারিক দায় বলে কিছু আর থাকছে না।

সোশ্যাল মিডিয়া এমন এক ব্যক্তিগত গন্ডি তৈরী করেছে তাতে কাছাকাছি লোকের বাইরে কেও থাকে না। এই শহরে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেহোপজীবিকা নাকি বড় বেশি চোখে পড়ার মতো। দিল্লি বা মুম্বইয়ের জিবি রোড, কামাথিপুরার সঙ্গে কলকাতার তুলনা তাঁদের অনেকেই এড়িয়ে গিয়েছেন। আবার অনেকই সেই তুলনা টেনে বলেছেন, কলকাতার লাল আলোর এলাকা তেমন কিছু নয়।সেটা কেও ছাড়িয়ে গেছে নেট সেক্স।

রিপোর্ট অনুযায়ী, একাধিক বাড়িতে গোপনে মধুচক্র চলছে দক্ষিণ কলকাতা থেকে সল্ট লেক সঙ্গে জুড়েছে নিউ টাউন ৷ যে চক্রের শিকার স্টুডেন্ট ৷ একটি সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, সোনাগাছির মতো এলাকায় কিন্তু নাবালিকাদের উপস্থিতি অনেক কম৷ সমীক্ষা অনুযায় সোনাগাছিতে ০.৮ শতাংশ নাবালিকার উপস্থিতি রয়েছে৷ সেখানে এই ধরনের ব্যক্তিগত পরিবারের নাবালিকাদের সংখ্যা প্রায় ১৮ শতাংশ৷একটি সমীক্ষা অনুযায়ী ১৩১ জন যৌনকর্মীর মতামতের ভিত্তিতে এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে বিগত তিন বছরে ’ বছর ধরে ৪,১৪৩ যৌনকর্মী এবং ব্যক্তিগত পরিসরের চলে এমন প্রায় ৪০টি৷ সমীক্ষকরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশই নাবালিকাদের জোর করে বা চাকরি , ভালো জীবনযাপনের প্রলোভন দেখিয়ে জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে যারা এই পেশায় আনছে তাদের ৮০ শতাংশই মহিলা৷ আর ১৫ থেকে ১৭ বছরের মেয়েরাই মূল নিশানা৷ কিছু দিন আগে অনন্যা চক্রবর্তী রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সনের কথায়, ‘এই রিপোর্ট আরও গভীর ভাবে অনুধাবন করতে হবে৷ তারপর আমরা এর প্রেক্ষিতে সরকার ও প্রশাসনকে আমাদের সুপারিশ জানাব৷’ যদিও রাজ্য সরকার এবং প্রশাসনের উদ্যোগকে প্রশংসা করা হয়েছে এই রিপোর্টে৷

অনেকেই বলছেন আজকের নিষিদ্ধপল্লি একাবারেই একটা এক্সপ্লয়টেশন জোন, আর প্রথা গত ভাবে রেড লাইট এরিয়া ক্রমেই তার মহিমা হারিয়েছে। । আর শোষণ ব্যাপারটা বরাবরই নগ্ন। তাই ঝুঁকছে নেট সেক্স এ , এসকর্ট সার্ভিস, ম্যাসাজ পার্লারের আবডাল, সংবাদপত্রের শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপনে খুল্লমখুল্লা আহ্বানকে চোখে লাগে না। তাই তাদের প্রসাধনে লেগে নেই ঔপনিবেশিকতার হ্যাংওভার। নিজেকে আড়াল করে এই কাজে যুক্ত হবার প্রবণতা আরো মারাত্মক।

কামথিপুরা কি তা হলে এক একটা টাইম জোন? সময় থমকে রয়েছে এই সব এলাকায়? কলকাতা, জিবি রোড, সবিকিবিকনির হাট এখানে খোলা খাতার মতো। আসঙ্গকামনা নিয়ে অনেকেরই আজ চলছে । দেহকে নিয়েও কোনও সংশয় নেই কারোর। একে এড়িয়ে যাওয়া যায় না বলেই কি এদার বড় বেশ করে চোখে পড়ে?

লক্ষ্যণীয় বিষয় হল কলেজের , বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা অনেকেই এই চক্রে পা দিয়ে ফেলে এই নেট সেক্স এর মধ্যে। সময় বয়েসির সঙ্গদোষে আস্তে শটে অভস্থ হয়ে পড়লে এটা গোপন বাণিজ্যে পরিণত হচ্ছে। পারিবারিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে সঙ্গে থাকছে নেশা।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় বাইরে থেকে পড়তে আসা হোস্টেল বা পে-ইন-গেস্ট এই চক্রের সূত্র মজুত থাকে। পরিবার বা পরিজন কেউই জানতে পারেনা , বরং হাতে থাকে কিছু পয়সা , নতুন মোবাইল , জামা কাপড় সঙ্গে প্রসাধনী , হোটেল রেস্তোরার জীবন , সঙ্গে পার্টি ক্লাব ডিস্ক ঠেক আর এই সব নিয়ে নিলাময় জীবন যাপন।


সব শেষে একটা বয়েসে হয় এই ব্যবসায় হাত পাকিয়ে নতুন পাখি ধরার ব্যবসায় যুক্ত থাকা বা মানসিক রুগী হিসেবে চিকিৎসায় চলে যাওয়া। তবে AIDS যে ভাবে কোলকাতায় বাড়ছে তার একটি রিপোর্ট শুধু দিয়ে দেওয়া হচ্ছে , এতেই অনুমান করা যাবে কোথায় যাচ্ছে কলকাতা না কলকাতা আধুনিক হচ্ছে।

(সরকারি সহযোগে একটি সমীক্ষার কয়েকটি বিশেষ পর্যায় তুলে ধরা হল ) HIV/AIDS epidemic in West Bengal: An overview

(Suman Ganguly1Debjit Chakraborty2Dipendra Narayan Goswami3
1 West Bengal State AIDS Prevention and Control Society, Kolkata, West Bengal, India
2 National Centre for Disease Informatics and Research, ICMR, Bengaluru, Karnataka, India
3 Department of Community Medicine, Calcutta National Medical College, Kolkata, West Bengal, India)

India bears the third highest burden of HIV-infected individuals of the world, as far as HIV epidemic is concerned. As per HIV estimate 2015,[1] adult prevalence of HIV infection in India is 0.26%; among them, 0.3% is male prevalence and female prevalence is 0.22%. Among the states/UTs, in 2015, Manipur has shown the highest estimated adult HIV prevalence of 1.15%, followed by Mizoram (0.80%), Nagaland (0.78%), Andhra Pradesh and Telangana (0.66%), Karnataka (0.45%), Gujarat (0.42%), and Goa (0.40%). Besides these states, Maharashtra, Chandigarh, Tripura, and Tamil Nadu have shown estimated adult HIV prevalence greater than the national prevalence (0.26%), while Odisha, Bihar, Sikkim, Delhi, Rajasthan, and West Bengal have shown an estimated adult HIV prevalence in the range of 0.21%–0.25%. This adult HIV prevalence in India is showing a gradual downward trend from 0.31% during 2009 to 0.26% during 2015. The total number of people living with HIV in India is estimated to be 21.17 lakhs (17.11–26.49 lakhs) in 2015 compared with 22.26 lakhs (18.00–27.85 lakhs) in 2007. West Bengal is a low-prevalent state with high vulnerability. The state accounts for country’s 6% load of HIV infection. The adult prevalence of HIV infection in West Bengal as per 2015 data is 0.21% with estimated load of 1.29 lakhs HIV-infected person. The overall prevalence has come down gradually over the years and in most of the cases prevalence among the key population has come down considerably in most of the groups (চলবে ) .

Tags
Show More

Related Articles

Back to top button
Close