Nation

চোখের আড়ালে জোরদার প্রস্তুতি : তবে কি যুদ্ধের প্রস্তুতি ?

কেনা হচ্ছে মারণ অস্ত্র , সাঁজোয়া গাড়ির রমরমা। বাড়তে পারে সেনার সংখ্যা। সেনা শিবিরে বাড়তি সতর্কতা

ইজরায়েলি ট্যাঙ্ক কিলার যা মানব চালিত পোর্টেবেল , এই মরণ যন্ত্র দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি।DRDO এর তত্ত্বাবধানে চলবে এর পরীক্ষা নিরীক্ষা। তাই বলা যেতে পারে ভারতীয় সেনার অস্ত্র ভাণ্ডারে নতুন সংযোজন। মূলত শত্রুর ট্যাঙ্ক আক্রমণ মোকাবিলার জন্য ব্যবহার করা হবে শক্তিশালী অস্ত্র পেয়ে গেল ভারতীয় সেনা।

ইন্ডিয়ান আর্মি আর এই প্রযুক্তির সীমিত সংখ্যক ইজরায়েলি স্পাইক অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল (ATGMs) অধিগ্রহণ করল । এই প্রযুক্তি ভারতীয় সেনার হাতে যে একদম ছিল না তা নয় , কিন্তু এবারের প্রযুক্তি আরো উন্নত পরিমানের আধুনিক। মানুষই এই যন্ত্র ব্যবহার করবে , তা হলেও অনেক সহজ ও শক্তি শালী।

সাম্প্রতিক কালে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর সীমাতের উত্তেজনা আন্তর্জাতিক মহলে বর্তমানে আলোচনার বিষয়। অপরদিকে পাকিস্তানের পক্ষে মাঝে মধ্যেই হুমকি আসছে যুদ্ধের , ফলে ভারতীয় সেনারা আরো বেশি সতর্ক। আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের যুক্তির কাছে পাকিস্তানের যুক্তি বরং বার হারমেনেছে। তাই সভাবতই বেশি চাপে আছে পাকিস্থান সরকার।

ATGMs কিনেছিল ভারত প্রথম ধাপে ২১০ স্পাইক মিসাইল ও এক ডজন লঞ্চার এসে পৌঁছেছে। প্রায় ২৮০ কোটি টাকা কেনা হয়েছে এই যন্ত্র।
মানব-পোর্টেবল ATGM এর ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ DRDO ২০২০ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে দেওয়া হবে। প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে তাহলে কি যুদ্ধের বাস্তবতা সামনে আসছে।

অপরপক্ষে পাকিস্তান তার সেনা বাহিনী তৈরি এ বিষয়ে খুব একটা কিছু বোঝা যাচ্ছে না। এই ক্ষেত্রে সঠিক কোন খবর কিন্তু বাজারে নেই। পাশাপাশি চীনের ভূমিতে কি সেটাও সঠিকভাবে বোঝা যাচ্ছে না। ফলে সম্পূর্ণ ঘোলা জলের ওপর দাঁড়িয়েই আন্দাজ করলেই সম্পূর্ণ পরিস্থিতি বোঝা দায়.

Show More

Related Articles

Back to top button
Close