Big Story

জেএনইউ হামলার ঘটনায় এবার ঐশী ঘোষ সহ তিন বাম ছাত্রনেতাকে জেরা করবে দিল্লি পুলিশ।

দিল্লি পুলিশের দাবি, হামলার পিছনে নেতৃত্ব দিয়েছেন খোদ ঐশী ঘোষ। কিছু ছবিতে ঐশীকে দেখে জেগেছে সন্দেহ আর তার জেরে জেরা করা হবে তাঁকে।

@ দেবশ্রী : উঠছে নানান প্রশ্ন, কিন্তু আসছে না কোনো জবাব। তবে জানা যায় এবারে, জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনায় সোমবার ঐশী-সহ তিন বাম ছাত্রনেতাকে জেরা করবে দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে, সেদিন হামলার পিছনে দায়ী ঐশী ঘোষ ও বাম সংগঠনের কিছু ছাত্র। বলা হয় ঐশীর নেতৃত্বেই নাকি সেদিন হামলা চালানো হয়েছিল। ফলে, সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল? সার্ভার রুমে কারা হামলা চালিয়েছিল? রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় কেন বাধা দেওয়া হচ্ছিল? এমনই রাশিরাশি প্রশ্নের জবাবে তলব করা হবে ঐশীর কাছে। তাই এই সব প্রশ্ন নিয়ে নিয়ে ঐশীকে জেরা করবে দিল্লি পুলিশ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার রুমে ভাঙচুর এবং নিরাপত্তারক্ষীর উপর চড়াও হওয়ার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল ঐশীর বিরুদ্ধে। পাশাপাশি এফআইআর দায়ের করা হয় আরও ৮ জনের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার ঘটনার পাঁচদিন পর গত শুক্রবার দিল্লি পুলিশ সংবাদমাধ্যমে তাঁদের তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে একটি বিবৃতি দেয়। তাতে দিল্লি পুলিশ দাবি করে ৩ এবং ৪ জানুয়ারি জেএনইউতে যাবতীয় যা হিংসা হয়েছে, তার জন্য চার বামপন্থী সংগঠনই দায়ী। এবং এই হিংসার নেতৃত্বে ছিলেন খোদ ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষ।

পুলিশের তরফ থেকে, একটি সিসিটিভি ফুটেজের ভিডিও ও কয়েকটি ছবি প্রকাশ করা হয়। ছবিগুলির একটিতে ঐশীকে দেখাও গিয়েছে। ঐশী ওই ছবিতে নিজের উপস্থিতির কথা স্বীকার করে নিয়েও জানান, তিনি কোনও অন্যায় করেননি বরং আক্রান্ত হয়েছেন। তবে সেই ভিডিও ছবির পিছনে আসল সত্যতা বিচার হয়েছে কী না তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। যেখানে এক সংবাদ মাধ্যমের স্টিং অপারেশনে এক এবিভিপির সদস্য মন্তব্য করেন যে তাঁর নেতৃত্বেই এই হামলা করা হয়েছিল। তাহলে কোন তদন্তের জেরে দিল্লি পুলিশ ঐশী ও কিছু ছাত্রদেরকে জেরা করবেন তা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। সেদিন হামলা চলা কালীন পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছিল, সেই নিয়েও জাগছে একাধিক প্রশ্ন। তবে কোনও উত্তর নেই কর্তৃপক্ষের কাছে। আর এই হামলার পর প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমেছে বহু পড়ুয়ারা, বহু সাধারণ মানুষ। রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে, বড় বড় তারকারাও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন।

Tags
Show More

Related Articles

Back to top button
Close