Analysis

পুলিশের লাঠি আর তৃণমূলের হুমকি ধর্মঘট ভাঙতে সফল হল না : মমতার হুঙ্কার বিফলে গেল !

"এক নজরে ১০০ " # সারা রাজ্যে ২০১১ এর পর এই প্রথম যেখানে এই ভাবে মানুষের সমর্থন পেলো বামেরা। সরকার ও তৃণমূলের পক্ষে আন্দাজ করতে পারেনি যে সিপিআইএমের বসে যাওয়া কমরেডরা আবার রাস্তায় নামবে। হিসেবের গন্ডগোলে সাধারণ ধর্মঘট মোটের ওপর সফল বেলা ২ টো পর্যন্ত।

নিজস্ব সংবাদদাতা : ১) সাত সকালেই দফায় দফায় রেল অবরোধ; শুনশান হাওড়া স্টেশন, শিয়ালদহ শাখায় বহু জায়গায় দাঁড়িয়ে ট্রেন।

২) রেল অবরোধ অশোকনগর , বারাসত, বেলঘরিয়া ও শ্যামনগরে ।

৩) সাত সকালেই বোমা উদ্ধার। বারাসতের কাছে হৃদয়পুর স্টেশনে মিলল ৩টি তাজা বোমা।

৪) ধর্মঘটীদের মিছিল বারাসতে বন্‌ধের সমর্থনে ।

৫) হাজরা মোড়ে পুলিশ কর্মীদের প্রহরা।লাঠির সামনে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিল ধর্মঘটীরা। পথ চলতি মানুষ দাঁড়িয়ে সমর্থন করলেন।

৬) সরকারি বাস ফাঁকা , ছিলো না বেসরকারি বাস। শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড়ে বড় মিছিল।

৭) যাদবপুরে দফার দফায় বিক্ষোভ।ছাত্র ছাত্রীদের অবরোধ। রাস্তায় দাবা ও ক্রিকেট খেলে বনধকে সমর্থন।

৮) যাদবপুরে বন্‌ধের সমর্থনে বামেদের মিছিল।প্রথমে পুলিশ দাপট দেখালেও পরে পিছিয়ে যায়। তৃণমূলের কোন কর্মী রাস্তায় নামে নি।

৯) কলকাতা বিমানবন্দরে ধর্মঘট শুরু হওয়ার প্রথম এক ঘণ্টা তার প্রভাব দেখা যায়নি । এর পর বেশ প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

১০) ধুমধুমার কান্ড জলপাইগুড়িতে ধর্মঘটীদের সঙ্গে বাস চালকদের বচসা।হাত হাতিতে অনেকেই আক্রান্ত হন। বামেদের নজর কাড়ার মত সংখ্যা থাকায় পুলিশ পিছিয়ে যায়।

১১) বেলা বাড়ার সাথে রাস্তা অবরোধ তমলুকেও।তৃণমূলের সমর্থকরা বনধ তুলতে যায় পুলিশের সাথে , বিতর্ক শুরু হলে বাম সমর্থকরা ছেড়ে কথা বলেনি। আজ এমনিতেই রাস্তা অন্য্ দিনের থেকে ফাঁকা।

১২ ) বর্ধমানে পথ অবরোধ ধর্মঘটের সমর্থনে ।বর্ধমান সদরে কার্জন গেটের সামনে বিশাল মিছিল আসলে কার্যত পুলিশ রে রে করে এগিয়ে গেলেও বিশেষ সুবিধে করতেপারেনি।আন্দোলনকারীরা কিছু অটো ড্রাইভার দের সাথে বচসায় জড়িয়ে পরে।

১৩) কলকাতা শহরে সব মিলিয়ে যা গাড়ি প্রতিদিন চলে তার তুলনায় মোট ১৯% গাড়ি বেরিয়েছে এখনও পর্যন্ত। ফলে শহরে গাড়ির সংখ্যা অন্যান্য দিনের থেকে কম।

১৪) হাওড়া ব্রিজে অন্য দিনের থেকে আজ একদমই ফাঁকা । কয়েক হাজার মানুষ প্রতি মুহূর্তে যাওয়া আসা করেন , কিন্তুই আজ একেবারে অন্য চিত্র। সরকারি বাস চললেও বেসরকারি পরিবহন খুবই কম।

১৫) বন্‌ধ সমর্থকেরা হাওড়া ডিভিশনে হিন্দমোটরে মেন লাইনে ট্রেন চলাচলে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন ।আটকে পরে বহু ট্রেন , বিপাকে অল্প কিছু যাত্রী।

১৬) ঘুটিয়ারি শরিফ, চম্পাহাটি, লক্ষ্মীকান্তপুর, মথুরাপুরে ওভারহেড তারে কলাপাতা ফেলে ট্রেন বন্ধ রাখার চেষ্টা ।পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে রেল চলাচল স্বাভাবিক করে। তবে অন্য্ দিনের তুলনায় যাত্রী নেই বললে চলে।

১৭) প্রায় অনেক ট্রেন ৪ থেকে ৫ ঘন্টা দেরিতে চলাচল করছে , কারণ বারংবার বিক্ষোভে আটকে যাচ্ছে। অনেক ট্রেন ছাড়েনি এখনো শিয়ালদহ থেকে।

১৮) সকাল থেকে লাগাতার আন্দোলনে আগরপাড়া, মগরাহাট, চম্পাহাটি ও শ্যামনগরে রেল অবরোধ।

১৯) কর্ম ব্যস্ত ব্যান্ডেল-হাওড়া লাইনে ট্রেন চলাচল বিপর্যস্ত। স্টেশনগুলিতে বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন দাঁড়িয়ে রয়েছে।

২০) বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী যাদবপুর স্টেশনে উপস্থিত হলে সাধারণ মানুষ থেকে ধর্মঘটীরা একইসাথে অবরোধ করেন রেল লাইন ।

২১) ৪ ঘন্টা যাদবপুর স্টেশনে রেল অবরোধ ধর্মঘট সমর্থনকারীদের। আপ ও ডাউন লাইনে ট্রেন আপাতত চালু হয়েছে এখন ।

২২) কংগ্রেস নেতা কর্মীরাও আলাদা ভাবে যাদবপুরে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশ এসে রাস্তা থেকে সরাতে গেলে হাতা হাতিতে জড়িয়ে পরে ৮বি বাস স্ট্যান্ডের সামনে।

২৩) দূরপাল্লার ট্রেন এখনও স্বাভাবিক নয় , কিছু লোকাল ট্রেন ছাড়লো। শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত।

৩৪) তুমুল গন্ডগোল চন্দ্রকোণা রোডে বিক্ষোভ।ইটপাটকেলের ঘায়ে বেশ কয়েক জন আহত। পুলিশ লাঠি চালালে আহত হন অনেকে।

৩৫) কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে টায়ার পুড়িয়ে বন্‌ধ পালন ।

৩৬) যে যেভাবে পারছে ভাড়া চাইছেন ট্যাক্সিতে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ওলা উবের ।

৩৭) তৃণমুল কংগ্রেস কৌশল করে সাধারণ মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে দেন ধর্মঘটীদের হটাতে , পুলিশ থাকলেও নীরব ছিলেন। কোচবিহারে ধর্মঘটীদের সঙ্গে বচসা সাধারণ মানুষের।

৩৮) পুলিশের অনুরোধে চন্দননগর স্টেশনে উঠল অবরোধ।অন্য সময় পুলিশ লাঠি চালিয়ে ধর্মঘটীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেন। এক্ষেত্রে অপেক্ষা করে কথা বলেই সরালেন অবরোধ।

৩৯) বামেদের মিছিল থেকে উড়ে এলো ইট , তাতেই ভেঙে গেল বাসের কাচ। জলপাইগুড়ির বাস ডিপোয় বাস ভাঙচুর।

৪০) কলকাতায় সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউ থেকে এম জি রোডে ধর্মঘটের প্রভাব পড়েছে।

৪১) আগাম আশঙ্খায় কলেজ স্ট্রিট চত্বরে বহু দোকান বন্ধ রেখেছে দোকানিরা।কলেজ স্ট্রিট জনমানব শূন্য।

৪২) বেলা বাড়তেই বড় বাজারে ধুমধুমার কান্ড। চলে ধস্তা ধস্তি পুলিশের সাথে কংগ্রেস সমর্থকদের সাথে। অভিযোগ বড়বাজারে জোর করে দোকান বন্ধ করে দেওয়ার।

৪৩) ২০১১ পর এই প্রথম অনেকটাই ফাঁকা শিয়ালদহ, এন্টালী, বেলেঘাটা চত্বর।

৪৪) বন্‌ধের ভালো যাদবপুরে সারা মিলেছে।অলিতে গলিতে চায়ের দোকান আর ওষুধের দোকান ছাড়া কোন কিছু খোলা নেই।

৪৫) বউ বাজারে ঝামেলার আশঙ্কায় দোকান খোলেননি ব্যবসায়ীরা।

৪৬) সম্পূর্ণ ভাবে বৌবাজারে বন্ধ সোনাপট্টি।

৪৭) যাদবপুর থেকে কলকাতা পুলিশ তুলে নিয়ে গেল সুজন চক্রবর্তী-সহ ধৃত বেশ কয়েক জন বাম নেতাকে ।

৪৮) যাদবপুরে ধর্মঘট ঘিরে ধুন্ধুমার।বেশ কিছু বাস ও পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর।পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে ধস্তা ধস্তি শুরু হয় যাদবপুরে।

৪৯) দোকানপাট বন্ধ রয়েছে সূর্য সেন স্ট্রিট, এমজি রোড-সহ বিভিন্ন জায়গায়।

৫০) সরকারি স্কুল কলেজেও ছাত্র ছাত্রিরা সেভাবে এলো না। শহরের কলেজ গুলো একদমই ফাঁকা।

৫১) চোখে পড়ার মত অবস্থা উত্তর কলকাতার বিভিন্ন জায়গা।ঠিক বাম আমলের মত অবস্থা।

৫২) রাস্তায় নামলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু-সহ বহু কর্মী-সমর্থকেরা , এন্টালীতে মিছিলে শামিল হন।

৫৩) সমগ্র কলকাতায় বন্‌ধের মিশ্র প্রভাব পড়েছে।এই প্রথম এতটা প্রভাব পরিবর্তনের পরে দেখা যায় নি।

৫৪) সম্পূর্ণ ভাবে এন্টালী মার্কেট বন্ধ রয়েছে।সেখানে তৃণমূলের পার্টি অফিসেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

৫৫) বড় সংখ্যার মিছিল বামেদের , মৌলালী থেকে মিছিল শুরু , অন্য বারের তুলনায় বিশাল জমায়েত।

৫৬) আবারও শিরোনামে উঠে এলো বেলেঘাটা মেইনরোড। বেলেঘাটায় আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে ধস্তাধস্তি।কমপক্ষে বেশ কিছু আহত দুই পক্ষের। এর পর বামেরা মিছিল বার করলে আবারো উত্তেজনা চরমে ওঠে।

৫৭) সকাল থেকেই তৃণমূলের হুমকি উড়িয়ে বড়বাজারের পোস্তা, কলেজ স্ট্রিট-সহ শিয়ালদহের ব্যবসায় সংগঠনগুলির সমর্থন পেয়েছে ধর্মঘট। ওই সব এলাকায় বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।

৫৮) ছেড়ে কথা বললেন না বামেরা ,সমানে সমান রাসবিহারী অ্যাভিনিউতে বন্‌ধকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কর্মী-সমর্থক এবং বাম কর্মী-সমর্থকদের ঝামেলা।প্রথমে পুলিশ নীরব থাকলেও পরে অবস্থার সামাল দেয়।

৫৯) এই বন্ধ কে সম্পূর্ণ ভাবে সমর্থন করলো মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল পার্ক সার্কাস। ধর্মঘটের জেরে বন্ধ ছিল দোকানপাট।

৬০) পাহাড় ছিল সকাল থেকেই দফায় দফায় অবরোধ। কুয়াশার জেরে মানুষ এমনিতেই কম বেরিয়েছে তার ওপর বনধ। দার্জিলিঙের হিলকার্ট রোডে টায়ার জ্বালিয়ে, স্লোগান দিয়ে ধর্মঘট পালন।

৬১) তৃণমূল কর্মীরা কাল রাত থেকেই পাহারা দিচ্ছিলেন সচল রাখতে হলদিয়া শিল্পাঞ্চল। ধর্মঘটের প্রভাব পড়েনি।

৭২) মেট্রো স্টেশনে সেভাবে লোকজন নেই বললেই চলে তুলনায় টালিগঞ্জে কিছু মানুষ আছে।দমদম মেট্রো স্টেশনে ঢুকে অবরোধ করার চেষ্টা করেন বনধ সমর্থকরা।

৭৩) বনধ সমর্থকরা জেলায় জেলায় রেল লাইনে বসে, ওভারহেড তারে কলাপাতা ফেলে বহু জায়াগায় থামিয়ে দেওয়া হয় ট্রেন। শহর কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা অবরোধ করেন বনধ সমর্থকরা।

৭৪) ইছাপুর, শ্যামনগর, হৃদয়পুর, কাঁচড়াপাড়াতেও অবরোধ করা হয় । ট্রেন থামিয়ে দেওয়া হয় চুঁচুড়ায় লাইনে কলাকপাতা ফেলে ।

৭৫) অন্যদিকে, সকাল আটটায় শিয়ালদহ স্টেশনে এদিন হাজির হন ট্যক্সি, অটো, ওলা, উবের চালকরা, তবে যেতে চাইছেন না কেও।ফিরে যাচ্ছেন যাত্রীরা।

৭৬) পূর্ব রেলও দক্ষিণপূর্ব রেলে দফায় দফায় অবরোধের জেরে সকাল সাতটা দশ নাগাদ একেবারেই ফাঁকা হাওড়া স্টেশন।

৭৭)সাতটা দশ পর্যন্ত ট্রেন ছাড়েনি আগরপাড়া ও মধ্যগ্রামে অবরোধের কারণে শিয়ালদহ থেকে।

৭৮)সকালে জোর বিবাদ কলকাতার চিংড়িঘাটা, ভিআইপি বাজারে অবরোধ করেন বনধ সমর্থকরা। তাদের সরিয়ে দেয় পুলিস।

৭৯) ধুমধুমার কান্ড হাওড়া দক্ষিণপূর্ব রেলের চেঙ্গাইল ও ভোগপুর স্টেশন অবরোধ হয়। সাড়ে আটটা নাগাদ তাদের তুলে দেয় পুলিস।

৮০) ব্যান্ডেলে বন্ধ করে দেওয়া হয় ট্রেন চলাচল। চন্দননগর, পান্ডুয়ায় অবরোধ করা হয় এবং রেল অবরোধ করা হয় হিজলি স্টেশনে।

৮১) আটকে যায় স্টিল এক্সপ্রেস।খড়গপুর-টাটানগর শাখার সরডিহা স্টেশন অবেরাধ করেন বনধ সমর্থকরা। অবরোধ করা হয় তমলুক স্টেশনও।

৮২) তমলুকে ৪১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। বারাসতে জোর করে দোকান বন্ধ করার চেষ্টা হয়।

৮৩) চুঁচুড়া ও হুগলি স্টেশনের মধ্যে বনধ সমর্থকদের সঙ্গে পুলিসের ধস্তাধস্তি লেগে যায়। লাইনে কলাপাতা ফেলে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

৮৪) অবরোধকারীরা বৈদ্যবাটিতে বাসের চাবি কেড়ে নিয়ে চালককে নামিয়ে দেওয়া হয়।

৮৫) অবরোধের জেরে আটকে পড়ে যানবাহন। বর্ধমানের সদর মোড়ে ধর্মঘটীদের রাস্তা অবরোধ।

৮৫)কোচবিহারে চলছে বনধ | বন্ধ দোকানপাট | স্বল্প যাত্রী নিয়ে সরকারি বাস কিছু চললেও বেসরকারি বাস বন্ধ |

৮৬) স্বল্প যাত্রী নিয়ে কিছু সরকারি বাস রাস্তায় চলছে |কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন গুলির ডাকা ভারত বন্ধের প্রভাব পড়লো কোচবিহারে |

৮৭) রাজ্যের সব পুলিশ স্টেশনে বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে বন্ধের বিষয়ে। বেসরকারি বাস বন্ধ রয়েছে | বন্ধ বেসরকারি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন দোকান পাট | যেকোনো রকম অশান্তি এড়াতে বিভিন্ন রাস্তায় মোতায়েন রয়েছে পুলিশ বাহিনী |

৮৮) প্রায় ২০ মিনিট অবরোধ করে রাখার পর টেকনো সিটি থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে এবং অবরোধকারীদের রাস্তা থেকে হটিয়ে দেয়।নিউ টাউনের বালিগড়ি সিরিজ বাগান ১৬ নম্বর জলের ট্যাংকের সামনে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন সিপিআইএম সমর্থক এসে রাস্তা অবরোধ করে।

৮৯ ) সাতসকালেই বিশ্বভারতী ফাস্ট প্যাসেঞ্জার অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় তারা।বীরভূমের রামপুরহাটে রেল অবরোধ বনধ সমর্থন কারীদের।

৯০) তমলুকে 41 নং জাতীয় সড়কের ওপর SUCI এর অবরোধ চলছে।পাঁশকুড়ার রাতুলিয়া বাজারে টায়ার জ্বালিয়ে সিপিএমের অবরোধ চলছে।জাতীয় সড়কের ওপর।অপরদিকে মেছাদাতে মিছিল চলছে ।

৯১) কাঁথি খড়্গপুর বাইপাস ও এগরাতে মিছিল করে পথ অবরোধ চালাচ্ছে সিপিএম সঙ্গে কংগ্রেস ,SUCI পৃথক ভাবে।

৯২) মেদিনীপুর বাস স্ট্যান্ডের সামনে ধর্মঘট সমর্থন কারীরা সরকারি বাস আটকানোর চেষ্টা করে।কিন্তু পুলিশ ধর্মঘটকারীদের সরিয়ে দেয়।

৯৩) মালবাজার সকাল থেকে বন্ধের ভালোই প্রভাব পরেছে । বন্ধকারিরা রাস্তার বিভিন্ন প্রান্তে সামিল হয়েছেন সকাল থেকে।

৯৪) বেহালা , গড়িয়া ,বালিগাঙ , যাদবপুর ,ঠাকুপুকুর ,তাড়াতলা ,বজবজ ,বড় বাজারে , লেকমার্কেট ,কোলে মার্কেট , মাছুয়া বাজার ,চাঁদনীচক শিয়ালদহ রেল ব্রিজের নিচে অন্যান্য বন্ধের থেকে এবারে বলা যায় ৭৫% সফল বেলা ২টো পর্যন্ত ।বেলা বাড়তে কিছু গাড়ির চলাচল শুরু হয়।

৯৫ ) বামেদের সাথে সমান তালে কংগ্রেসের পাস পাশি SUCI এই বন্ধে সমান ভাবে রাস্তায় দেখা যায়।

৯৬) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করলেন “ধর্মঘটের নামে বাংলার বিভিন্ন জায়গায় সিপিএম গুন্ডামি করেছে বলে “

৯৭) মমতা বলেন, “এরা বছরে চারটে করে বনধ ডাকে সস্তার জনপ্রিয়তা পেতে। এদের রাজনৈতিক ভাবে মৃত্যু হওয়া প্রয়োজন।পারলে আমাদের মতো আন্দোলন করুক। গুন্ডামি করে কোনও আন্দোলন হয় না। সাধারণ মানুষের অসুবিধে করছে কেন। এর থেকে কেরলের সিপিএম ভাল। তবু ওখানে কিছু মতাদর্শ বেঁচে আছে।”

৯৮) সিপিএম নেতা শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, “ওঁর আন্দোলন মানে তো বিধানসভা ভাঙচুর। এটা বাংলার মানুষ জানে।

৯৯)সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী এত দিন দূরবীন দিয়েও সিপিএমকে দেখতে পাচ্ছিলেন না। আজ পেয়েছেন। ওঁর কথায় স্পষ্ট রাজ্যে ধর্মঘট সর্বাত্মক।”

১০০) রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী come back left . তবে ধরে রাখার জায়গায় আরো প্রয়াস দরকার।

Tags
Show More

Related Articles

Back to top button
Close