Nation

মাওবাদীদের গলিতে দুই পুলিশ কর্মী মৃত : আবারও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে গ্রামে !

রক্তাত্ত আবারো রাস্তা , পুলিশ মাওবাদীদের খন্ড যুদ্ধে দুই পুলিশ কর্মীর প্রাণ গেল। পুলিশের কাছে খবর থাকা সত্ত্বেও ,কেন মরতে হল দুই কর্মীর। প্রশ্নের মুখে প্রশাসন।

দুর্গাপুজো ও নবরাত্রির শুরুতেই মাওবাদীদের গুলিতে প্রাণ গেল দুই পুলিশ কর্মীর। ঝাড়খণ্ডের বুন্দু ও নামকুম অঞ্চলের দশম ফলস এলাকায় কয়েক জন মাওবাদী লুকিয়ে রয়েছে এই খবর আগে থেকেই ছিল পুলিশের কাছে। তবে আগাম খবরের সাথে সাবধানতা আর কৌশল ঠিক না থাকায় প্রাণ গেল দুই জওয়ানের।

শুক্রবার ভোররাতে ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুজনের। সেই সময় উৎসব মুখী মানুষ আর তাদেরই স্বার্থে মাওবাদীদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেল দুই পুলিশ কর্মী। পুলিশ সূত্রে খবর মাওবাদীরা কাছেই জঙ্গলে লুকিয়ে আছে। তদন্ত চলেও সফলতা কিছুই আসেনি প্রায় ৪৮ ঘন্টা কেটে যাবার পরও।
অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল মুরারিলাল মীনা জানান এই মাওবাদী দলটি বড় নাশকতার চোখ কষেছিল উৎসবের মধ্যে। গোটা এলাকা জুড়ে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তিনি পুলিশের ব্যর্থতা মানতে চাননি।

পুলিশ সূত্রের খবর, লুকিয়ে থাকা মাওবাদীরা পুলিশ দেখতে পেয়েই আচমকা গুলি চালাতে শুরু করে আর তার জবাবে মাওবাদীদের পাল্টা গুলি চালাতে শুরু করেন পুলিশকর্মীরাও। গুলির লড়াইয়ে লুটিয়ে পড়ে যান পুলিশের দুই কর্মী।সেভাবে কোন প্রতিরোধের সুযোগ পায়নি পুলিশ। অসহায় অবস্থায় লুটিয়ে পরে দুই জওয়ান। হাসপালে নিয়ে যাবার পর চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে।

রাজনৈতিক মহলে সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বিপক্ষের রাজনৈতিক নেতারা। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস। তিনি বলেন, “এনকাউন্টার চালাতে গিয়ে দুই জাগুয়ার জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের এই বলিদানকে আমি স্যালুট জানাই। ঝাড়খণ্ডে মাওবাদ নিকেশ করতে হবে।”

পুলিশ কর্মচারী পরিবারে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে , নিজের পরিচয় গোপন রেখে বললেন ” রাজনৈতিক ভাষণ বন্ধ রেখে কাজের কাজ করুক মুখ্যমন্ত্রী। অপরাধীদের ধরুন তাদের শাস্তি দিন।”

Tags
Show More

Related Articles

Back to top button
Close