West Bengal

রাজনৈতিক স্বার্থে, মর্মান্তিক ভাবে খুন হয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর !

মানুষ নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য, যে কোনো মূল্য দিতে রাজি থাকে। আর এখনকার সমাজ, রাজনৈতিক কারনে নিতে পারে কারোর প্রাণও।

@ দেবশ্রী : রাজনৈতিক নাকি অন্য কোনো কারনে খুন হলেন তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি ? আবারো পূর্ব বর্ধমানের, খণ্ডঘোষ মাধব ডিহি গ্রামে ঘটে যায় রক্তপাত, হয়ে যায় খুন। মারা যান একজন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। মৃতের নাম অনিল মাঝি (৫২)। তাঁর বাড়ি মাধবডিহি গ্রামের পূর্ব পাড়ায়। মঙ্গলবার রাত থেকেই নিখোঁজ ছিলেন অনিল বাবু। ধবার সকালে পুকুরে অনিলের মৃতদেহ ভাসতে দেখে এলাকার বাসিন্দারা। আর অন্য একটি পুকুরে পড়ে ছিল তার মোটরসাইকেলটি। মাধবডিহি থানা থেকে দুশো মিটারের মধ্যে তৃণমূল কর্মী অনিল মাঝির দেহ মেলে পুকুর থেকে। ঘটনাটি ঘটার পর থেকে গোটা এলাকায় একটা ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

তারপর, পূর্ব বর্ধমান জেলার এএসপি প্রিয়ব্রত রায় পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনা স্থলে পৌঁছে ক্ষতিয়ে দেখেন। অন্যদিকে রায়না বিধানসভার বিধায়ক নেপাল ঘরুই বলেন পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে আমাদের সক্রিয় কর্মী অনিল মাঝিকে। তিনি বলেন, গতকাল রাত্রে 10:30 নাগাদ পার্টি অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন অনিল মাঝি। সেই সময় বিজেপির বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী সেখানে ফাঁদ পেতে ছিলো, সেই মোতাবেক নৃশংস ভাবে খুন করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয় অনিল মাঝিকে, এমনটাই অভিযোগ করে তৃণমূল কর্মীরা। পাশাপাশি মোটর সাইকেলটি পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেয়।

আজ মৃত পরিবারের পাশে এসে দাঁড়ান রাজ্যের মন্ত্রী ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সভাপতি স্বপন দেবনাথ, তাঁর সাথে ছিলেন খোকন দাস, দেবু টুডু ও অন্যান্য নেতাবৃন্দ। এদিন বর্ধমান মেডিকেল কলেজ পুলিশ মর্গে এসে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ তাঁর মরদেহে ফুলের মালা দিয়ে আত্মার শান্তি কামনা করেন, স্বপন বাবু বলেন মৃত অনিল মাঝির পরিবারের পাশে আছি এবং সবরকম সহায়তার জন্য হাত বাড়িয়ে দেবেন। তাঁর এইরূপ মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য দায়ী করেন বিজেপি নেতা কর্মীদের, অবিলম্বে গ্রেফতারের জন্য দাবি করেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।

Show More

Related Articles

Back to top button
Close