Industry & Tread

রেশন গ্রহণে সচ্ছতা বজায় রাখতে, খাদ্য দফতরের নয়া সির্ধান্ত।

প্রায়ই শোনা যায়, অনেকেই নাকি তাদের প্রাপ্য রেশন টুকু পায় না, তাই সকল গ্রাহক যাতে তা পান তাই চালু হচ্ছে ইলেকট্রনিক পয়েন্ট অব সেলস।

@ দেবশ্রী : সাবধানতা অবলম্বন করতে এবারে নেওয়া হচ্ছে নতুন পদক্ষেপ। এবারে এপ্রিল মাস থেকেই ‌ইলেকট্রনিক যন্ত্রে গ্রাহকের আঙুলের ছাপ যাচা‌‌ই করে রেশন দোকান থেকে সরকারি ভর্তুকিতে চাল-গম দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করতে উদ্যোগী হচ্ছে রাজ্য খাদ্য দফতর। জানা যাচ্ছে, রেশন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনার জন্যেই, এমনটা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এরফলে কোনও প্রকৃত গ্রাহক যাতে তাঁর রেশনের খাদ্যপণ্য থেকে বঞ্চিত না হন সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে।

এইমুহূর্তে রাজ্যজুড়ে গ্রাহকদের রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার নম্বর সংযুক্তিকরণের কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রায় ৭ কোটি ১৮ লক্ষ গ্রাহকের রেশন-আধার সংযুক্তিকরণের কাজ হয়ে গিয়েছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাকীদের সংযুক্তিকরণের কাজ হয়ে যাবে বলে খাদ্য দফতর আশা করছে। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই আধারকার্ড লিঙ্ক করার সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ মার্চ করেছে। যাতে কোনো মানুষ বাদ না পড়ে যান।

এবং ভবিষ্যত দিনে গ্রাহকের আঙুলের ছাপ রেশন দোকানের ইলেকট্রনিক পয়েন্ট অব সেলস (ই-পস) যন্ত্রে যাতে যাচাই করা যায় তার জন্য আগে এই আধার নম্বরটি সংযুক্তিকরণ করতে হবে। রেশন দোকানের ই-পস যন্ত্রেই এটা এখন করা চলছে। তারপরে ওই যন্ত্রে রেশন গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ নথিভুক্ত করা হবে। খাদ্য দফতর সির্ধান্ত নিয়েছে, আগামী দিনে সপ্তাহের দুটি দিনে ধার্য করা হবে রেশন গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ ই-পস যন্ত্রে নথিভুক্তকরণের জন্য। পরিবারে যাদের রেশন কার্ড আছে সকলেরই আঙুলের ছাপ যন্ত্রে নথিভুক্ত করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে খাদ্য দফতরের আধিকারিকরা। এরফলে রেশনের খাদ্য সংগ্রহের সময় পরিবারের যে কোনও একজন এসে যন্ত্রটিতে আঙুলের ছাপ দিয়ে পরিবারের সকলের জন্য বরাদ্দ খাদ্য সামগ্রী নিয়ে যেতে পারবেন।

নয়া এই ব্যবস্থায় কোনও রেশন গ্রাহক তাঁর জন্য বরাদ্দ খাদ্য সামগ্রী সংগ্রহ করার সাথে দশাতেই সেই তথ্য খাদ্য দফতরের সার্ভারে উঠে আসবে। ফলে রেশনে সরবরাহ করা খাদ্য অন্যত্র পাচার হওয়া আটকানো যাবে বলেই আশা করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে খুব দ্রুতই চালু করা হবে এই ব্যবস্থা।

Tags
Show More

Related Articles

Back to top button
Close