Nation

শর্ত পাল্টা হামলা তবেই মুক্তি : একটি রাষ্ট্রী ও অনেক সন্ত্রাস বাদী দল

জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান মাসুদ আজহার বেশ কিছু দিন খবরের শিরোনামে আসছেন না , তবে কি উনি বাল্মীকির অবস্থানে। একদমই নয় , চলছিল দরকষাকষি। অনুমান মুক্তি ও মৌলবাদের ঢালাও লাইসেন্স।

৩৭০ ধারা রোধ , জম্মু কাশ্মীর ও লাদাকের বিভাজন ও তার ওপরে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা। সব মিলিয়ে একেবারে কোনঠাসা প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। কারণ স্বাধীন কাশ্মীরের জিগির তুলে দেশের সরকার মানুষের সহানুভূতিকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতার মসনদে বসে থাকা।আর একেই কেন্দ্র করে বারং বার ভারতে হামলা নিরীহ মানুষ খুন হল দশকের পর দশক।

ভারতীয় গোয়েন্দা দফতর অনুমান করছেন, যে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের সাহায্যে কাশ্মীরে সন্ত্রাস-অশান্তি ছড়াতে নতুন ভাবে পরিকল্পনা করে মাঠে নামছে পাকিস্তান। শোনা যাচ্ছে অনেক দিন ধরে গা ঢাকা দেওয়া জঙ্গিরা একজোট হয়ে কাশ্মীর লাগোয়া বর্ডারে নেমে পড়েছেন ভারতে আক্রমণ শানাতে। নতুন জঙ্গি ঘাঁটির খবর আসে গোয়েন্দাদের কাছে , পুলওয়ামার ধাঁচে উপত্যকায় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা করেছে নয়াদিল্লি।

আন্তর্জাতিক মহলে আস্থা কুড়োতে ব্যর্থ ইমরান খান , ফলে ঘরে বাইরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে যান পাক প্রধান মন্ত্রী ইমরানখান।ওপর দিকে ভারতের পাশে বিশ্বের সকল শক্তিধর দেশ গুলো এক যোগে কথা বলছে ও পাকিস্তানের মতের বিপক্ষে জানান দিচ্ছে। ফলে উভয় সংকটে ইমরান খান।

পাক প্রশাসন সূত্রের খবর, কাশ্মীরে অশান্তি ও ভারতে নাশকতা ছড়ানোর কাজে মাসুদকে ব্যবহার করতে তাকে ‘হেফাজত থেকে মুক্তি’ দেওয়া হয়েছে।সম্ভার মাধ্যমে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই , আরো কোন ঠাসা হয়ে পরে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মহলে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা যাচ্ছে যাবতীয় নাশকতার ছক কষছে মাসুদ আজাহার জইশের সদর দফতরে বসেই , গোয়েন্দাদের ধারণা সেখানে মাসুদের ভাইয়েরাও থাকতে পারে।পাকিস্তানের বহাওয়ালপুরের বিলাসবহুল ‘মারকাজ় শুভানাল্লা’-য় জইশের সদর দফতর দেখা গিয়েছে মাসুদ আজাহার কে ।শোনাযায় মাসুদ আজাহার কে আন্তর্জাতিক নজর থেকে আড়ালে রাখতেই চিকিৎসার নাম হাসপাতালে ছিলেন। সেই সময় বন্ধ হয়েছিল ভারত-বিরোধী প্রকাশ্য প্রচার।

ভারতীয় গোয়েন্দাদের কাছে খবর ,পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাখচক্রি সেক্টরের রাওয়ালাকোটে জড়ো হয়েছে প্রচুর জঙ্গি নাশকতা চালাতে সঙ্গে রয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-বিস্ফোরক। আর এই জঙ্গি হামলাচালোনোর জন্য এদের মগজধোলাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে মাসুদকে ।সোনা যাচ্ছে এদেরই পাঠানো হবে ভারত অধিকৃত কাশ্মীরে। সেই সঙ্গে একাধিক লঞ্চ প্যাডে জঙ্গি ও পাক সেনার নতুন করে জমায়েত লক্ষ্য করা গিয়েছে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর । অসন্ন্য বিপদ ঘনিয়ে আসছে উভয় দেশের মধ্যে।

অন্তর জাতিকে মহলে একটি বিশেষ চর্চা ঘুরে বেড়াচ্ছে , একটি স্বাধীন রাষ্ট্র কিভাবে দশকের ওপর দশক উগ্র মৌল্যবাদের জিগির তুলে নিজেদের কল্যাণ কামি রাষ্ট্রী হিসেবে দাবি করে। ফলে ঘরে ও বাইরে সন্ত্রাসী হামলায় কয়েক হাজার নিরীহ নাগরিক মারাগেছেন। এই ক্ষেত্রে নতুন প্রজন্মের সমালোচনার মুখে পড়েছে পাকিস্তান। দেশের বুদ্ধিজীবী মহলের যদিও খুব বেশি স্বাধীনতা নেই সে দেশে স্বাধীন মত প্রকাশের , তবে পাকিস্তানের ভিতরে গন বিক্ষোভের আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ইমরানের উপর দেশের মানুষ যেভাবে ভরসা করেছিল সার্বিক পরিবর্তন আসবে সে দেশে গণতন্ত্র কায়েম হবে প্রকৃত অর্থে। সেই ভাবনায় বিরাট ধাক্কা খেয়েছে। সে দেশে ইমরানের ওপর থেকে সাধারণ মানুষের ভরসা সরে যাচ্ছে। দেশের সংবাদ মাধ্যমেও সেন্সর চলছে প্রবলভাবে। তবুও ডিজিটাল মিডিয়াতে চেপে রাখা যাচ্ছে না , বেরিয়ে পড়ছে পাকিস্তানের আসল চেহারা।

Tags
Show More

Related Articles

Back to top button
Close