Big Story

শোভন বিষয়ে সবই নজরে আছে দিল্লির , তাই সিদ্ধান্ত নেবার দায়িত্ব তাদের : পঙ্কজ রায় , নেতা রাজ্য বিজেপি

ভিতরে সমালোচনার মুখে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। কেন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না দল শোভনের বিপক্ষে। বৈশাখী কে শোভন সম গুরুত্ব দেওয়া সম্ভব নয় ,আজকে বৈশাখী রাজ্য বিজেপির সাথে দূরত্ব তৈরি করেছে।তাই চলচিত্র উৎসবে বৈশাখীর সাথে শোভন হাজির , গুঞ্জন চলছে রাজ্য পার্টি অফিসে।

আজকের আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবে শোভন চ্যাটার্জী ও সাথে বৈশাখীকে নিয়ে উপস্থিত। আর সেই নিয়ে গুঞ্জন চূড়ান্ত পর্যায়ে বিজেপির অন্দর মহলে। মাত্র তিন মাসও হয়নি শোভন বিজেপিতে এসেছেন , এরই মধ্যে নেতৃত্বের সাথে বিতর্কে জড়িয়েছেন। গত ১৪ অগাস্ট বিজেপিতে নাম লেখান। নির্দিষ্ট কিছু কারণে বিজেপি ও শোভনের সম্পর্খের অবনতি। একদিকে শোভন চ্যাটার্জী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবার সাথে সাথেই নিরাপত্তা তুলে নেয় পুলিশ। এর পর শোভন বিজিপির শীর্ষ নেতাদের কাছে আবেদন করেন যে তার ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার । কিন্তু বিজেপি সে ভাবে গুরুত্ব দেয় নি শোভন চ্যাটার্জী কে। কিছুদিনের মধ্যেই নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিরোধকে কেন্দ্র করে দিল্লি গিয়ে বিজেপি থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। শোনা যায় ইস্তফার সিদ্ধান্তের পিছনে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘গোঁসা’ও একটি কারণ! এরপর থেকে বিজেপির কোনও দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখা যায়নি শোভনবাবুকে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে উপস্থিত হন শোভনবাবু ভাইফোঁটা উপলক্ষে , আর এই ক্ষেত্রে বিতর্ক আরো চরমে উঠেছে । গতবছর তিনি ফোটা নেননি।এর সাথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানান তার নিরাপত্তার বিষয়ে। এর পরদিন ই তার জন্য ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেন শোভনকে। আর এখন তৃণমূল ভবনে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে যে , বৃহস্পতিবারের বিধায়কদের বৈঠকে নাকি ডাক পেতে পারেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।

বিজেপি নেতা পঙ্কজ রায় বলেন “বেক্তির থেকে দল বড় , দলের থেকে দেশ বড় , আর এই ক্ষেত্রে শোভন বাবুর বিভিন্ন কাজ কর্ম সবটাই নজরে রয়েছে।” ওপিনিয়ন টাইমস এর পক্ষ থেকে পঙ্কজ বাবুকে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন যে , ” বিজেপি রেজিমেন্টেড পার্টি আর এই পার্টির অনেক নিয়ন আছে। সেই গুলো কে সকল কেই মানতে হবে।”

শোভন চ্যাটার্জী ঘাসফুল শিবিরের অন্দরমহলে ঢুকে পড়েছে ,কিন্তু শোভন নিয়ে ধীরে চলো নীতি নিচ্ছে তৃণমূল। অন্যদিকে, কলকাতা কর্পোরেশন ও জেলা স্তরে পৌর নির্বাচন আসছে ২০২০ তে। তার ফলে এই বৈতরণী উদ্ধার হওয়া খুব কঠিন। সেই অর্থে পুরোনো কর্মীদের ফিরিয়ে নেবার পক্রিয়া চলছে তৃণমূলে।আর যদি ঘোষিত ভাবে শোভন যদি তৃণমূলে ফেরত যায় তাহলে কিন্তু প্রশ্ন হল নারদ ও সারদা তে শোভন কি সামলাতে পারবে তদন্ত কে।

Tags
Show More

Related Articles

Back to top button
Close